
নতুন অন্টারিও প্লেসে অন্টারিও সায়েন্স সেন্টারের স্থানান্তরের বিরুদ্ধে লড়াই বন্ধ করবেন না বলে জানিয়েছেন টরন্টোর মেয়র অলিভিয়া চাউ। এখানে সায়েন্স প্রোগ্রামিংয়ের নতুন যুগের কল্পনা করতে টরন্টোবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
চাউ বলেন, প্রাদেশিক সরকার এটা শেষ করলে পরিস্থিতি খুবই খারাপ হবে।
রিভারসাইড পার্কে সরকারের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে আয়োজিত সমাবেশে ২৭ জানুয়ারি এই ঘোষণা দেন অলিভিয়া চাউ। মিউনিসিপাল, প্রাদেশিক ও ফেডারেল পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতাসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিক্ষোভকারী সমাবেশে অংশ নেন।
২০২৩ সালে ইনফ্রাস্ট্রাকচার অন্টারিওর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সায়েন্স সেন্টারের বর্তমান ভবন সংস্কার না করে ডন মিলস রোড ও এগলিন্টন অ্যাভিনিউ ইস্ট থেকে লেকফ্রন্টে স্থানান্তর করা হলে আগামী ৫০ বছরে সাশ্রয় হবে ২৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার।
তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অডিটর জেনারেল গত ডিসেম্বরে বলেন, ব্যয় সংক্রান্ত অসম্পূর্ণ হিসাব এবং উপযুক্ত পরামর্শ ছাড়াই অন্টারিও সায়েন্স সেন্টার স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
ডগ ফোর্ড সরকারের সঙ্গে টরন্টোর নতুন চুক্তির অংশ হিসেবে উভয় পক্ষই ডন মিলস সাইটে কিছু বিজ্ঞান প্রোগ্রামিংয়ের আয়োজন বহাল থাকবে। কিন্তু ঠিক কী ধরনের প্রোগ্রামিং তা স্পষ্ট করা হয়নি।
সায়েন্স সেন্টার যে এলাকায় অবস্থিত তা লিবারেল এমপিপি আদিল সামজির রাইডিং। এলাকাটিতে সায়েন্স সেন্টার বহাল রাখা কেবলমাত্র স্থানীয় ইস্যু নয়। তার কথার প্রতিধ্বনি মোনা যায় নিউ ডেমোক্র্যাট এমপিপি জিল অ্যান্ড্রুর কণ্ঠেও। তিনি বলেন, সায়েন্স সেন্টার নির্দিষ্ট একটি কমিউনিটিতে অবস্থিত হলেও সিটির সবাই আমরা একে ভালোবাসি। এবং অবশ্যই সমগ্র প্রদেশবাসী একে ভালোবাসে।
এই স্থানান্তরের ফলে কর্মসংস্থানের ক্ষতি হতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিক্ষোভকারীরা। সেই সঙ্গে ভবিষ্যৎ অন্টারিও সমায়েন্স সেন্টারে যাওয়া কঠিন হবে বলে জানান তারা।
কাউন্সিলর জশ ম্যাটল বলেন, আমাদের সিটির প্রত্যেক অংশে একটি করে হাব থাকা উচিত, যেখানে লোকজন যেতে পারবেন, সন্তানদের সঙ্গে নিতে পারবেন, বিনোদিত হবেন এবং শিখতে পারবেন।

