
প্রদেশজুড়ে মিউনিসিপালিটিগুলো বড় পরিসরে কর বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে। এর আংশিক কারণ হচ্ছে নব্বইয়ের দশকে বিভিন্ন ধরনের ব্যয় অন্টারিওর স্থানীয় সরকারগুলোর ওপর স্থানান্তর করা। তবে কে কাকে অর্থ দেবে সে বিষয়টি নিয়ে এখন খোলামেলা আলোচনার সময় এসেছে বলে জানিয়েছে মিউনিসিপালিটিগুলো।
প্রদেশ গত বছরের শেষ দিকে টরন্টোর জন্য নতুন চুক্তি ঘোষণা করে। এর আওতায় নগরীর ওপর থেকে আর্থিক চাপ কমাতে টরন্টোর দুটি মহাসড়কের ব্যয় বহনে সম্মত হয় প্রদেশ। অন্য কমিউনিটিগুলোও এখন একই ধরনের সহায়তা চাইছে। তবে এ সপ্তাহে রুরাল অন্টারিও মিউনিসিপাল অ্যাসোসিয়েশনের সম্মেলনে প্রাদেশিক ও মিউনিসিপাল সম্পর্ক পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানাতে যাচ্ছে অ্যাসোসিয়েশন অব মিউনিসিপালিটিজ অব অন্টারিও (এএমও)।
এএমওর নির্বাহী পরিচালক ব্রায়ান রসবোরো এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, নতুন চুক্তি সত্যিই উৎসাহব্যঞ্জক বলে আমি মনে করি। কারণ, এর ফলে ১৯৯০ এর দশকের কাঁধে তুলে নেওয়া অবকাঠামোর দায়িত্ব কাঁধ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সাল পর্যন্ত আর্থিক কর্মকাঠামো খতিয়ে দেখতে সিটি অভ টরন্টোর সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে এতে।
প্রথমদিকে টরন্টোই নতুন চুক্তির ওপর জোর দেয়। কারণ, তাদেরকে বড় ধরনের বাজেট ঘাটতি মোকাবিলা করতে হচ্ছিল। যদিও তা এখনো দূর হয়নি। শরনার্থীদের সহায়তার ব্যয় বাবদ ফেডারেল সরকার সহায়তা না দিলে সম্পদ কর ১০ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে টরন্টো। শেষ পর্যন্ত যা ১৬ দশমিক ৫ শতাংশে পৌঁছাবে।
ঘাটতিতে না থাকা অন্য অনেক মিউনিসিপালিটিও সম্পদ কর বাড়ানোর চিন্তা করছে। রসবোরো বলেন, বৃদ্ধির হারটা আমরা ৬, ৭, ৮ শতাংশ এমনকি ১০ শতাংশ পর্যন্ত দেখতে পাচ্ছি। এটা কেবল ২০২৪ সালের জন্য। আসলে আমাদের পদ্ধতিগত কিছু সমস্যা রয়েছে, যেগুলো সমাধান করতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে উচ্চ হারে এবং এমনকি দুই অংকের কর বাড়ানোর পথে হাঁটতে হবে।

