
কম গতিতে হলেও ২০২৪ সালেও খাদ্যের দাম বাড়তে থাকবে। সাম্প্রতিক ফুড প্রাইস প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে।
ডালহৌসি ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়া, ইউনিভার্সিটি অব গুয়েল্ফ এবং ইউনিভার্সিটি অব সাস্কেচুয়ান চতুর্দশ বার্ষিক প্রতিবেদনে আগামী বছর খাদ্যের দাম ২ দশমিক ৫ থেকে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে।
ডালহৌসির এগ্রি-ফুড অ্যানালিটিকস ল্যাবের পরিচালক সিলভেইন শার্লেবোয়িস বলেন, ভোক্তাদের আনুগত্য ফিরে পেতে আগামী বছর গ্রোসারদের কঠোর প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। কারণ, ক্রেতারা এখন বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে কেনাকাটা ও অর্থ সাশ্রয়ের চেষ্টা করছে। আমার মতে, আনুগত্য বড় যুদ্ধক্ষেত্র হতে যাচ্ছে। এই প্রতিযোগিতা কিছু অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দাম কমিয়ে আনতে পারে। যদিও সার্বিক খাদ্যমূল্য বর্ধমান থাকবে। কীভাবে আপনি লোকজনকে ফিরিয়ে আনবেন? ছাড় দিয়ে। এটাই মূল্যযুদ্ধ ডেকে আনবে।
২০২৪ সালে কিছু পণ্যের দাম অন্যান্য পণ্যের তুলনায় দ্রুত বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি বাড়তে পারে বেকারিপণ্য, মাংস ও সবজির দাম। এই বৃদ্ধির হার হতে পারে ৫ থেকে ৭ শতাংশ। রেস্তোরাঁ ও সামুদ্রিক খাদ্যপণ্যের দাম বাড়তে পারে ৩ থেকে ৫ শতাংশ। দুগ্ধজাত ও ফলের দাম বাড়তে পারে ১ থেকে ৩ শতাংশের মধ্যে।
চলতি বছর খাদ্যের দাম অব্যাহতভাবে বাড়লেও গবেষকার দেখেছেন যে, ২০২৩ সালে গ্রাহকরা গত বছরের প্রাক্কলনের চেয়ে কম ডলার খরচ করেছেন। রেস্তোরাঁ ও গ্রোসারি স্টোরে খরচ কমিয়েছেন তারা। ২০২৩ সালে চার সদস্যের একটি পরিবারÑবাবা-মা ও এক ছেলে ও এক মেয়েÑখরচ করেছে ১৫ হাজার ৫৯৫ দশিমক ৪০ ডলার। গত বছরের প্রতিবেদনের পূর্বাভাসের চেয়ে পরিমাণটা ৭০০ ডলার কম।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চার সদস্যের একটি পরিবার খাবার বাবদ ২০২৩ সালে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছে ২০২৪ সালে ব্যয় করবে ৭০০ ডলার বেশি। অর্থাৎ, আগামী বছর চার সদস্যের একটি পরিবারের খাদ্য বাবদ ব্যয় হবে ১৬ হাজার ২৯৭ দশমিক ২০ ডলার।

