
লজিস্টিক্যাল ভুল প্রাইসলাইন সমাধানে ব্যর্থ হওয়ায় নাগরিকত্বের শপথ নিতে পারেননি টরন্টো এরিয়ার এক পরিবার। এ নিয়ে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
সন্তানদের শপথ অনুষ্ঠানে সবাই যাতে উপস্থিত থাকতে পারেন সেজন্য দিব্যা পোলাভারাম নিজের, তার মায়ের ও দুই সন্তানের জন্য টরন্টো থেকে উইনিপেগগামী ফ্লাইট বুক করেছিলেন। অনুষ্ঠানের ব্যাপারে সন্তানরা খুবই উল্লসিত ছিল। পরিবারটি সম্প্রতি উইনিপেগ থেকে মিসিসোগায় চলে এসেছেন। এ কারণেই শপথের জন্য তাদেরকে ম্যানিটোবায় যাওয়ার কথা ছিল।
প্রাইসলাইনের মাধ্যমে ৩ অক্টোবর ফ্লাইট বুক করেছিলেন পোলাভারাম। এরপর তিনি বুকিংয়ের নিশ্চয়তা সংক্রান্ত একটি ইমেইল পান, সিপি২৪ যেটা দেখেছে। বুকিং করা ফ্লাইট ছিল টরন্টো পিয়ারসন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে উইনিপেগের জে.এ. রিচার্ডসন ইন্টারন্যাশণ এয়ারপোর্ট পর্যন্ত। ইমেইলের ওপরে বুকিং নিশ্চিত করে বড় হরফে দুটি শিরোনামও লেখা ছিল।
পরিবারটির উইনিপেগে পৌঁছানোর কথা ছিল ১৭ অক্টোবর। পরদিন তাদের টরন্টোতে ফেরার দিন ধার্য্য চিল। কিন্তু ১৬ অক্টোবর যখন পোলাভারম ওয়েব চেক-ইনের মাধ্যমে তার ফ্লাইট পরীক্ষা করতে যান তখন তাকে সরাসরি প্রাইসলাইনের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়। ফ্লেয়ার তার টিকিট নিশ্চিত না করার তথ্য জানানোর পর তিনি বিস্তারিত যা বলেছিলেন তা আর উল্লেখ করা হয়নি।
পোলাভারামের তথ্য অনুযায়ী, প্রাইসলাইন পুনরায় ফ্লাইট বুকিং নিতে বা অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এর ফল যা দাঁড়ায় তা হলো তিনি ও তার সন্তানরা উইনিপেগের শপথ অনুষ্ঠানে যেতে পারেননি।
তিনি বলেন, ক্ষতিপূরণ ছাড়া অন্য কোনো এয়ারলাইনে টিকিট পুনরায় বুকিং দেওয়ার ইচ্ছা তার ছিল না। কারণ, প্রাইসলাইনের মাধ্যমে টিকিটের যে মূল্য তিনি পরিশোধ করেন বর্তমান দাম তার চারগুন। চারটি টিকিটের জন্য পোলাভারাম ৪৫০ ডলারেরও কম অর্থ পরিশোধ করেছিলেন।
এক সাক্ষাৎকারে পোলাভারাম বলেন, এটা খুবই বিশেষ অনুষ্ঠান ছিল। এবং আমরা সবাই সেখানে উপস্থিত থাকতে চেয়েছিলাম। সেজন্য সব পরিকল্পনাও আমরা করেছিলাম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জণ্য আমার মা ভারত থেকে এসেছেন। তিনি, তার মা ও সন্তানরা উইনিপেগে তার স্বামীর সঙ্গে দেখঅ করার পরিকল্পনা করেছিলেন। ব্যবসায়িক কাজে কয়েকদিন আগেই তিনি সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন।
প্রাইসলাইনের সঙ্গে এ ব্যাপারে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কাছ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে ফ্লেয়ারের একজন প্রতিনিধি এক বিবৃতিতে বলেছেন, প্রাইসলাইনের মতো অ্যাগ্রিগেটরের পরিবর্তে এয়ারলাইনের মাধ্যমে সরাসরি ফ্লাইট বুকিং দেওয়াই গ্রাহকদের জন্য শ্রেয়।

