
জুনের পর প্রথমবারের মতো হাউস অব কমন্সের মুখোমুখী হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সরকার। কানাডিয়ানদের কাছে এই পরিমাণ গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে তারা সংসদের ফল অধিবেশনে বসতে যাচ্ছে, গত প্রায় এক দশকের মধ্যে যা কোনো সরকারই পায়নি। এমনটাই উঠে এসেছে গ্লোবাল নিউজের জন্য ইপসস পরিচালিত নতুন এক সমীক্ষায়।
যদিও বিরোধীদলীয় নেতা পিয়েরে পয়লিয়েভর কার্নি সরকারকে জুন থেকে ‘সেইনফিল্ড সামার’ বলে সমালোচনা করে আসছে। সেইনফিল্ড সামার হচ্ছে সেই সামার যেখানে কনজার্ভেটিভদের যুক্তিহচ্ছে সরকার কিছুই করেনি। তা সত্ত্বেও ইপসসের সমীক্ষা বলছে, সামারে কার্নি সরকারের গ্রহণযোগ্যতা ১০ পয়েন্ট বেড়ে ৫৮ শতাংশে পৌঁছেছে।
জাস্টিন ট্রুডো সরকার তার দায়িত্ব পালনের প্রথম বছরে কানাডিয়ানদের কাছ ৬১ শতাংশ গ্রহণযোগ্য পেয়েছিল। এরপর এতো উচ্চ গ্রহণযোগ্যতা কোনো সরকার পায়নি।
ইপসসের টরন্টোভিত্তিক পাবলিক অ্যাফেয়ার্স সংক্রান্ত বৈশি^ক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ড্যারেল ব্রিকার বলেন, সুতরাং, সেইনফিল্ড ছিল কোনো কিছু হয়নি বলে দেখানো। কিন্তু সরকার ছিল খুবই জনপ্রিয়। কানাডিয়ানরা নিশ্চিতভাবেই বিশ^াস করেন যে, কার্নি সফল হতে যাচ্ছেন এবং তারা তাকে একটি সুযোগ দিতে চান। রাজনীতিতে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কতদিন তিনি এই সমর্থন ধরে রাখতে পারবেন?
চলতি বছরের ৫ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সমীক্ষাটি চালানো হয়। তাতে দেখা যায়, ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সীদের মধ্যে কার্নি সরকারের গ্রহণযোগ্যতা ৬৩ শতাংশ। অন্যদিকে ৫৫ বছর ও তার বেশি বয়সীদের মধ্যে এ হার ৫৯ শতাংশ।
একইসঙ্গে ইপসস কার্নি সরকারের কিছু ভঙ্গুরতাও লক্ষ্য করছে, কনজার্ভেটিভ, ব্লক কুইবেকোয়িস ও এনডিপি যা কাজে লাগানোর জন্য মুখিয়ে আছে। এই ভঙ্গুরতা হচ্ছে ক্রয়ক্ষমতার সংকট, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং অর্থনীতি।
এক হাজার একজন কানাডিয়ানের ওপর অনলাইনে সমীক্ষাটি চালায় ইপসস।

