
ডিমেনশিয়া নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কানাডিয়ান সেন্টার ফর ইনফরমেশন এন্ড নলেজ (CCIK) এর উদ্যোগে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার ৯ সেপ্টেম্বর টরন্টোর ডেনফোর্থ এভিনিউস্থ বিআইইএস অফিসে আয়োজিত এ কর্মশালায় কমিউনিটির প্রায় ৩০ জন প্রবীণ অংশ নেন।
কর্মশালাটি পরিচালনা করেন কানাডিয়ান সেন্টারের প্রধান নির্বাহী ইমাম উদ্দিন। অতিথি বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশী চিকিৎসক ডা. তাসমিয়া হুসেন। তিনি ডিমেনশিয়ার সাধারণ লক্ষণ, প্রতিরোধ ও যত্নের নানা দিক নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের অবহিত করেন।
বক্তারা জানান, নিকটবর্তী স্মৃতি হারিয়ে যাওয়া, বারবার একই কথা বা কাজ করা, যুক্তি ও চিন্তার ক্ষমতা কমে যাওয়া, ব্যক্তিত্ব ও আচরণের পরিবর্তন—এসবই ডিমেনশিয়ার সাধারণ লক্ষণ। চিকিৎসকদের মতে, ডিমেনশিয়া হলো মস্তিষ্কের একটি ক্ষয়জনিত রোগ, যা মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি, স্মৃতিশক্তি ও ব্যক্তিত্বের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলে। সাধারণত ৬৫ বছর বয়সের পর এ রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। ডিমেনশিয়ার বিভিন্ন ধরন থাকলেও আলঝেইমার্স রোগ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
২০২৩ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কানাডায় প্রায় ৭ লাখ মানুষ ডিমেনশিয়ায় ভুগছেন। ২০৫০ সালের মধ্যে এ সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১৭ লাখে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধি করে CCIK এ কর্মশালার আয়োজন করে, যা অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাস্তবধর্মী তথ্য সরবরাহে সহায়ক হয়।
উল্লেখ্য, কানাডিয়ান সেন্টার ফর ইনফরমেশন অ্যান্ড নলেজ (সিসিআইকে) একটি টরন্টোভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। তথ্য ও শিক্ষা, সম্প্রসারণমূলক কার্যক্রম এবং ক্ষমতায়নের মাধ্যমে এই সংস্থা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকে সহায়তা করে চলেছে।

