
কানাডিয়ান সশস্ত্র বাহিনীর পাঁচ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে। একদল লোকের নাৎসি স্যালুট দেওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তাদের বিরুদ্ধে এই পদেক্ষপ নেওয়া হয়েছে। সামরিক পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।
আর্মির কমান্ডার লেফটেনেন্ট জেনারেল মাইকেল রাইট ভিডিওর বিষয়বস্তুকে উদ্বেগের বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, কানাডিয়ান আর্মিতে বিদ্বেষ ও চরমপন্থার কোনো জায়গা নেই। ভিডিওর বিষয়বস্তু নিয়ে আমি খুবই হতাশ। তাদের আচরণ একেবারেই অগ্রহণযোগ্য এবং এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি বলেন, সাধারণ একজন জনগণ ভিডিওটি সশস্ত্র বাহিনীকে দিয়েছে। তাতে অন্তত সাতজনকে দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে পাঁচজন কানাডিয়ান সশস্ত্র বাহিনীর বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।
২০২৩ সালে ভিডিও ফুটেজটি নেওয়া হয়। তাতে এক ব্যক্তিকে রয়্যাল ২২তম রেজিমেন্ট ফ্ল্যাগের সামনে ড্রিল করতে যাচ্ছে। পাশাপাশি তাকে মাদক নিতেও দেখা যায়।
রাইট বলেন, ৬ আগস্ট তিনি ভিডিওটির ব্যাপারে জানতে পারেন এবং দ্রুত বিষয়টি সামরিক পুলিশের কাছে পাঠিয়ে দেন।
চরমপন্থা উপড়ে ফেলতে সামরিক বাহিনীতে স্ক্রিনিং চর্চা শক্তিশালী করার দিকে ইঙ্গি করেছেন কিছু বিশেষজ্ঞ।
এ গ্রীষ্মের গোড়ার দিকে সরকারবিরোধী মিলিশিয়া বাহিনী গঠনের চক্রান্তের অভিযোগে কুইবেকে সশস্ত্র বাহিনীর কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ দায়ের করে রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (আরসিএমপি)। আরসিএমপি ঘটনাটিকে আদর্শ উৎসারিত সহিংস চরমপন্থা বলে উল্লেখ করে।
ওই ঘটনায় কয়েক ডজন আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ করা হয়। এর মধ্যে কিস্ফোরক, অ্যাসল্ট রাইফেল এবং বিপুল পরিমাণ গুলিও ছিল। কানাডায় সন্ত্রাসবাদী ঘটনায় এটাই সবচেয়ে বেশি অস্ত্র গোলাবারুদ উদ্ধারের ঘটনা বলে ধারণা করা হয়ে থাকে।
আরসিএমপি দুজন সক্রিয় সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। তারা হলেন কর্পোরাল মার্ক-অরিলি চ্যাবট এবং কর্পোরাল ম্যাথিউ ফোর্বস। বাকি দুজন সাবেক সদস্য। তারা হলেন সিমন অ্যাঙ্গার্স-অডেট এবং রাফায়েল লাগাসে।

