
সাম্প্রতিক সপ্তাহে ধর্মঘটের কারণে গ্রাহকদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পবিহন বাবদ যে ব্যয় হয়েছে তার কিছু বহন করার লক্ষ্যে একটি নীতি গ্রহণ করছে এয়ার কানাডা। এয়ারলাইনটি বুধবার বলেছে, গ্রাহকরা যদি ১৫ থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত নির্ধারিত ফ্লাইট বাতিল করে থাকেন তাহলে ওই অর্থ তাদেরকে ফেরত দেওয়া হবে। ওই সময়ে এয়ার কানাডা তাদের পুনরায় বুক করতে পারেনি এবং এরপর তারা নিজেরাই বিকল্প ব্যবস্থা বেছে নিয়েছেন।
রিফান্ডের জন্য আবেদনের জন্য গ্রাহকদের জন্য এয়ার কানাডার ওয়েসবাইটে নতুন ফরম দেওয়া হয়েছে। তবে যদি তারা এয়ার কানাডার সঙ্গে তাদের যাত্রার অংশত সম্পন্ন করে থাকেন অথবা ধর্মঘটের কারণে পরিবহনের বিকল্প পদ্ধতি বেছে নিতে হয় তাহলেই কেবল রিফান্ডের যোগ্য হবেন তারা।
নীতিটি এই ইঙ্গিতই দিচ্ছে যে, বিকল্প পরিবহনের জন্য যাত্রীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার আইনি বাধ্যবাধকতার বিষয়টি মেনে নিচ্ছে এয়ার কানাডা।
এয়ার প্যাসেঞ্জার রাইটস অ্যাডভোকেসি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট গ্যাবর লুকাস বলেন, এয়ারলাইন প্যাসেঞ্জার প্রোটেকশন রেগুলেশন অনুযায়ী, ফ্লাইট বাতিল হলে নিজেদের বা সহ এয়ারলাইনে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পুনরায় বুকিং দিতে বাধ্য এয়ার কানাডা। কিন্তু এয়ার কানাডা এসব বাধ্যবাধকতা অনুসরণ করেনি।
গ্রাহকদের কাছ থেকে তিনি শুনেছেন যে, প্রতিযোগীদের মাধ্যমে বিকল্প কোনো ফ্লাইট না থাকার বিষয়টি জানিয়ে এয়ার কানাডার পক্ষ থেকে তাদেরকে ইমেইল করা হয়েছে। কিন্তু এটা সত্য নয়। যাত্রীরাই আমাদেরকে বলেছেন, চড়া মূল্যে তারা বিকল্প এয়ারলাইন থেকে টিকিট সংগ্রহ করেছেন। কিন্তু আইন অনুযায়ী এয়ার কানাডার এই টিকিট কিনে দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
এয়ার কানাডা বলেছে, কর্মবিরতির ফলে ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় পুরো অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রস্তাব করছে তারা।

