
গত এপ্রিলে টরন্টোর পিয়ারসন বিমানবন্দরের বাইরে গুলির ঘটনায় কোনো ধরনের অন্যায় থেকে পিল রিজিয়নাল পুলিশেল দুই কর্মকর্তাকে অব্যাহতি দিয়েছে অন্টারিওর পুলিশ ওয়াচডগ। ওই গুলির ঘটনায় ৩০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি নিহত হন।
স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন্স ইউনিটের (এসআইইউ) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগা এক ব্যক্তি একটি পিস্তল বের করার পর নিজেদের অন্যদের রক্ষার প্রয়োজনে পুলিশ কর্মকর্তারা তাদের অস্ত্র থেকে গুলি ছোড়েন। ২৪ এপ্রিল সকাল ৬টা ৩৮ মিনিটের দিকে বিমানবন্দরের এক নম্বর টার্মিনালের বহির্গমন পথে পুলিশকে ডাকে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিভাগ। মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা ও মাদক সেবনের কারণে তার ভাই বিধ্বস্ত হওয়ার কারণে এক নারী সাহায্য চাইলে তাদেরকে সেখানে ডাকা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই নারী বলেন যে, ইউকনের ফ্লাইট ধরার জন্য তার ভাই গাড়ি থেকে নামতে অস্বীকৃতি জানান। সেখানে একটি চিকিৎসা কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে তিনি রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু বিমানবন্দরে এসে তিনি বলেন যে, তাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিমানবন্দরে আনা হয়েছে। ওই ব্যক্তির মধ্যে এই বিশ^াস তৈরি হয় যে, তার বোন তাকে নিপীড়ন করছে এবং তিনি বলেন, পুলিশের প্রতি তার কোনো বিশ^াস নেই।
এসআইইউ বলছে, পরিস্থিতি খারাপ হয়ে এলে ওই ব্যক্তি হঠাৎ গাড়ি থেকে নেমে আসেন এবং তার আগ্নেয়াস্ত্রটি কর্মকর্তাদের দিকে তাক করে ধরেন, যার প্রতিক্রিয়ায় পুলিশ তাদের অস্ত্র থেকে গুলি ছুড়তে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে ময়নাতদন্তে দেখা যায় যে, এক বা দুইজন কর্মকর্তার ছোড়া গুলি বুকে বিদ্ধ হয়ে মারা যান তিনি।
এসআইইউ পরিচালক জোসেফ মার্টিনো প্রতিবেদনে লেখেন, আমি এ ব্যাপারে সন্তুষ্ট যে, পুলিশ আত্মরক্ষার যৌক্তিক কারণেই তাদের আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেছে। পুলিশকে আইনসঙ্গতভাবেই সেখানে মোতায়েন করা হয়েছিল এবং নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব পালনের সময় তারা গুলি ছুঁড়েছেন। গুলি ছোড়ার আগে কর্মকর্তারা পরিস্থিতি শান্ত করার যথেষ্ট চেষ্টা করেছিলেন। কর্মকর্তারা যে ফৌজদারি অপরাধ করেছেন তার স্বপক্ষে যৌক্তিক কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি।

