
এয়ার কানাডার শত শত উড়োজাহাজ শনিবার উড্ডয়ন না করায় বিপত্তিতে পড়েন যাত্রীরা। এদিকে এয়ার কানাডা ও এর ১০ হাজার ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টের মধ্যে যে শ্রম বিবাদ তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে তা সমাধানের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টরা ধর্মঘটে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর কর্মসংস্থানমন্ত্রী প্যাটি হাইডু বলেন, উভয় পক্ষ যাতে কাজে ফেরে সেই আদেশ দিতে কানাডা ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশন্স বোর্ডকে নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। তবে নিয়মিত সেবা ফিরিয়ে আনতে পাঁচ থেকে ১০দিন সময় লাগবে।
এদিকে অন্টারিওর যেসব যাত্রী ফ্লাইট বাতিলের নোটিশ পেয়েছেন তাদেরকে এখনো টরন্টো ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে দেখা গেছে। বিকল্প কিছু আছে কিনা সে ব্যাপারে তারা এয়ার কানাডার কাছে খোঁজ-খবর নিচ্ছিলেন।
তানিয়া ব্যারন নামে এক যাত্রী বলেন, এই পরিস্থিতে চোখের পানি ধরে রাখাটা কষ্টকর। কারণ, তার পরিবার সাস্কাটুনে তাদের বাড়িতে ফেরার চেষ্টা করছে এবং এয়ার কানাডার কর্মীরা বিকল্প টিকিটের ব্যাপারে কোনো তথ্য এখন পর্যন্ত দিতে পারছেন না। তারা আমাদেরকে এখানে পাঠাচ্ছেন, ওখানে পাঠাচ্ছেন। তারা আমাদেরকে এমন সব জায়গায় ফোন দিতে বলছেন, যেখানে উত্তর দেওয়ার মতো কেউ নেই। টেলিফোন বেজেই যাচ্ছে। তারা ওয়েবসাইট পরীক্ষা করার কথা বলছেন। কোনো ফ্লাইটই নেই এবং বাড়িতে যাওয়ার কোনো উপায় দেখছি না।
এডমন্টনে বাড়িতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন নোয়ে ল নেমেথ। তিনি বলেন, কীভাবে তিনি বাড়ি পৌঁছাবেন সে সংক্রান্ত কোনো খবর তিনিও পাচ্ছেন না। ধৈর্য্য খুবই বড় একটি গুন বলে আমি মনে করি। কোনো একটা উপায় খুঁজে পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা ছাড়া বিকল্প নেই।
গ্রিসে কয়েক সপ্তাহ কাটানোর পর অন্টারিওর থান্ডার বেতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন সান্দ্রা ক্যাপুতি। তবে তিনি সেইসব ভাগ্যবানদের একজন যারা বাডিড় ফেরার বিকল্প উপায় খুঁজে পেয়েছেন। বিলি বিশপ সিটি এয়ারপোর্ট থেকে প্রতিযোগী এয়ারলাইন্স পর্টারের একটি টিকিট তিনি জোগার করতে সক্ষম হয়েছেন।
তিনি বলেন, আমার প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাবার আগে আমি সম্ভবত ভিন্ন ভিন্ন দশজনের কাছে জিজ্ঞাসা করেছিলাম।
সম্ভাব্য কর্মবিরতির প্রস্তুতি হিসেবে গত দুইদিনে ৬০০ এর বেশি ফ্লাইট বাতিল করেছে এয়ার কানাডা।

