
এয়ার কানাডার ১০ হাজারের বেশি ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টের প্রতিনিধিত্বকারী ইউনিয়ন কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন। এর ফলাফল টের পেতে শুরু করেছেন যাত্রীরা। এয়ারলাইনটির সঙ্গে শেষ মুহূর্তের চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার পর কর্মবিরতি শুরুর করেছেন তারা। শনিবার রাত ১টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ধর্মঘট শুরু হয়।
ইউরোপে ছুটি কাটিয়ে অটোয়ায় তার বাড়িতে ফিরছিলেন কিলিন প্রিঙ্গনিটজ ও তার পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু ফ্লাইট বাতিল হয়ে যাওয়ায় আটকা পড়েন তারা।
লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে প্রিঙ্গনিটজ বলেন, আমার মাতৃত্বকালীন ছুটির জন্য অবকাশ শেষ হয়েছে। অবকাশ যাপনে আমরা নরওয়ের ফারো আইল্যান্ডে গিয়েছিলাম। এয়ার কানাডার ফ্লাইটে প্রথমে লন্ডন এরপর সেখান থেকে নরওয়েতে যাই আমরা।
এখন বাড়িতে ফেরার বিকল্প উপায় খুঁজছেন তিনি ও তার পরিবার।
এয়ার কানাডা বলেছে, এয়ার কানাডা এবং এয়ার কানাডা রোগের সব কানাডা কর্মবিরতির কারণে বাতিল করা হচ্ছে। ধর্মঘট অব্যাহত থাকাকালে প্রতিদিন প্রায় এক লাখ ১৩ হাজার যাত্রী ভুক্তভোগী হবেন।
শনিবার এক বিবৃতিতে কোম্পানিটি বলেছে, গ্রাহকদের ওপর ধর্মঘটের যে প্রভাব সেজন্য তারা গভীরভাবে দুঃখিত।
তবে এয়ার কানাডা এক্সপ্রেসের ফ্লাইট এই ধর্মঘটের কারণে প্রভাবিত হবে না। তৃতীয় পক্ষের এয়ারলাইন্স জ্যাজ এবং পিএএল এটি পরিচালনা করে থাকে।
এয়ার কানাডার কর্মীদের ইউনিয়ন কানাডিয়ান ইউনিয়ন অব পাবলিক এমপ্লয়িজ বলেছে, মন্ট্রিয়ল, টরন্টো, ক্যালগেরি এবং ভ্যানকুভারসহ কানাডাজুড়ে বিমানবন্দরগুলোতে বেঁধে দেওয়া সীমানার মধ্যে ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে। হ্যালিফ্যাক্স, অটোয়া এবং উইনিপেগের বিমানবন্দরগুলোতেও ধর্মঘটের আওতা বেঁধে দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ধর্মঘটী ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টরা।
শনিবার সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউনিয়ন বলেছে, অচলাবস্থার নিরসন ছাড়াই সিইউপিই এবং এয়ার কানাডার মধ্যে আলোচনা শেষ হয়েছে। আমরা আমাদের যাত্রীদের জন্য গভীরভাবে দুঃখিত। আমরা ধর্মঘটে যেতে চাইনি। কিন্তু এটা স্পষ্ট যে, এয়ার কানাডার দর-কষাকষিতে কোনো আগ্রহ নেই।

