
নিউ ব্রান্সউইক যে কটি দাবানলে পুড়ছে তার মধ্যে দুটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে। নিউ ব্রান্সউইকের ডিপার্টমেন্ট অব ন্যাচারাল রিসোর্সেস (ডিএনআর) জানিয়েছে, রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত ল্ডেফিল্ড রোড ফায়ার নামে পরিচিত মিরামিচি এলাকার আগুন এবং ইরিশটাউনের দাবানল নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল।
প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জন হেরন বলেন, বর্তমান দাবানল পরিস্থিতি ক্রমেই তীব্র হচ্ছে, যা নজিরবিহীন। নিউ ব্রান্সউইকবাসী এবং আমাদের প্রদেশের সুরক্ষার জন্য আমরা স্বউদ্যোগে অতিরিক্ত ফায়ারফাইটার কর্মকর্তার অনুরোধ জানিয়েছে কানাডিয়ান ইন্টারএজেন্সি ফরেস্ট ফায়ার সেন্টারের (সিআইএফএফসি) দ্বারস্থ হয়েছি। তারা যাতে মাঠে কাজ করা আমাদের ক্রুদের সহায়তা করেন সেই অনুরোধ জানানো হয়েছে। সব সময়ই আমরা অন্যান্য প্রদেশ ও অঞ্চল এমনকি প্রয়োজনের সময় অন্যান্য দেশেরও ভালো অংশীদার। এ কারণেই আমরা তাদের সহায়তা চাইছি।
ডিএনআর বলেছে, মিরামিটি এলাকায় আগুনের কারণে শনিবার রাতে একটি বাড়ি ও তিনটি কটেজ খালি করার আদেশের আওতায় রাখা হয়েছিল। আরও ১৫টি বাড়িতে খালি করতে হতে পারে মর্মে সতর্ক করা হয়েছে।
ধোঁয়ার কারণে দৃশ্যমাণতা কমে যাওয়ায় শনিবার পর্যন্তও মিরামিচি এলাকার আগুনের ব্যাপ্তি নির্ধারণ করতে পারেনি ডিএনআর। যদিও তারা বলেছে, আগুন হাইওয়ে ৮ এ চলে এসেছে এবং ২০ হেক্টরের মতো এলাকা পুড়েছে।
মিরামিচির আগুন শুক্রবার ও শনিবারের মধ্যে ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়। শুক্রবার এর ব্যাপ্তি ছিল ৬৫ হেক্টর। শনিবার সকালের মধ্যে তা ১৬০ কিলোমিটার বিস্তৃত হয় এবং ওইদিন শনিবারের মধ্যে ব্যাপ্তি দাঁড়ায় ২৪০ হেক্টর।
আগুনের সূত্রপাত হয় বুধবার এবং প্রাথমিকভাবে এটি ২০ হেক্টরজুড়ে জ¦লছিল বলে হিসাব করা হয়েছিল। প্রাকৃতিক সম্পদমন্ত্রী জন হেরন শনিবার বলেন, ঘণ্টাখানেকের মধ্যে এই পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে।
মিরামিচি এলাকার আগুনের কারণ সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি।
নিয়ন্ত্রণের বাইরে আরেকটি দাবানল জ¦লছে ইয়র্ক কাউন্টির ক্যান্টারবারির কাছে। ডিএনআর দাবানলটিতে স্ল্যাশ ফায়ার হিসেবে অভিহিত করেছে। বর্তমানে এর ব্যাপ্তি ৫ হেক্টর এবং আগুনের ১৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

