
ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সঙ্গে কানাডার সম্পর্কের ক্ষেত্রে অর্থনীতি প্রাথমিক লক্ষ্যে পরিণত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনীতা আনান্দ। এই পরিবর্তন ভারতের সঙ্গে কানাডার সাম্প্রতিক নিরাপত্তা বিবাদ কাটিয়ে সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হচ্ছে।
গত মে মাসে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর এই সপ্তাহে প্রথমবারের মতো জাপান ও মালয়েশিয়া সফর করেন আনান্দ। এই সফর থেকে যে বার্তা তিনি দিয়েছেন তা হলো সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর পূর্ববর্তী লিবারেল সরকারের নির্ধারণ করা অগ্রাধিকার থেকে কানাডার পররাষ্ট্রনীতিতে পরিবর্তন আসছে। যদিও ওই অগ্রাধিকারগুলো একেবারে বাতিল করা হচ্ছে না।
মালয়েশিয়া থেকে বৃহস্পতিবার এক টেলিকনফারেন্সে আনান্দ বলেন, আমাদের নীতি পর্যালোচলনা করাটা জরুরি। এটা কেবল ইন্দো-প্যাসিফিকের ক্ষেত্রে নয়, বরং এটা নিশ্চিত করা যে, ঐতিহাসিকভাবে লালন করা মূল্যবোধের দিকেই কেবল আমরা জোর দিচ্ছি না। পররাষ্ট্রনীতি হচ্ছে অভ্যন্তরীণ স্বার্থের সম্প্রসারণ। বিশেষ করে অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক স্বার্থ। এটা এমন এক সময় যখন বৈশি^ক অর্থনীতি চাপের মধ্যে রয়েছে।
ট্রুডো সরকার তার বাণিজ্য চুক্তিগুলোতে পরিবেশ রক্ষা, শ্রমের মান এবং লিঙ্গ সমতার মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়েছিল।
তথ্য বিনিময় চুক্তি সম্পাদনে টোকিও সফর করেন আনান্দ। এই চুক্তি প্রতিরক্ষা ক্রয়ে ভূমিকা রাখতে পারে। অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথ ইস্ট এশিয়ান নেশন্স বা আসিয়ানের সম্মেলনে যোগ দিতে মালয়েশিয়া যাওয়ার আগে জাপান সফর করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
দুই বছর আগে ২০২৩ সালে ভ্যানকুভারের কাছে শিখ অধিকারকর্মী হারদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকা- পরবর্তী কূটনৈতিক সম্পর্কে শীতলতার পর কানাডা যখন ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনপ্রতিষ্ঠা করতে চাইছে ঠিক সেই সময় এই সফর করলেন অনীতা আনান্দ।

