
১১ বছরের মধ্যে প্রথম বৈঠক করলেন কানাডা ও চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা। দেশ দুটি যখন যোগাযোগ লাইন পুনপ্রতিষ্ঠায় কাজ করছে তখন গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সম্মেলনে বৈঠক করেন তারা।
সিঙ্গাপুরে শাংগ্রি লা সংলাপে যোগদানের সময় ৩১ মে বৈঠকে মিলিত হন কানাডার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বিল ব্লেয়ার এবং চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাডমিরাল ডঙ্গ জুন। ২০১৩ সালের পর এটাই দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের মধ্যে প্রথম বৈঠক।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে বিল ব্লেয়ার বলেন, আমাদের দেশগুলোর মধ্যে যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ এবং আমি আরও সংলাপ হলে তাকে স্বাগত জানাব। বেইজিংয়ের বিদেশি হস্তক্ষেপ, রাশিয়াকে চীনের আর্থিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা এবং তাইওয়ানে তাদের সাম্প্রতিক সামরিক মহড়া নিয়ে কানাডার উদ্বেগের কথা আমি তুলে ধরেছি।
নতুন সরকার নির্বাচনের পর মে মাসের শেষ দিকে দ্বীপটির ওপর অবরোধ দেয় চীন। তাইওয়ান চীনের অংশ দাবি করে বেইজিংয়ের যে অবস্থান তা মানতে রাজি নয় নতুন সরকার। তাইওয়ানে চীনের পদক্ষেপের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনও ডঙ্গের সঙ্গে বৈঠকের সময় তুলে ধরেন বলে পেন্টাগনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
২০২২ সালে আমেরিকা ও চীনের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যকার যোগাযোগ ভেঙে পড়ার পর এটাই প্রথম দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ে সশরীরে বৈঠক। যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন হাউস স্পিকার তাইওয়ান সফরে গেলে ক্ষুব্ধ হয় চীন।
বছরগুলোতে কানাডা তাইওয়ান প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন মহড়াগুলোতে অংশ নিচ্ছে। আমেরিকান কর্মকর্তারা বলছেন, এর অর্থ হচ্ছে এই অঞ্চলের প্রতিযোগিতাপূর্ণ জলসীমায় চলাচলের স্বাধীনতার ওপর জোর দেওয়া।
উল্লেখ্য, অন্তবর্তী এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৮০ এর দশক থেকেই যে বেইজিং কানাডায় বসবাসরত চীনা বংশোদ্ভুত নাগরিকদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে সে ব্যাপারে গোয়েন্দা সতর্কতা ছিল।

