
গত ১৭ই ফেব্রুয়ারী শনিবার আনন্দ আর আড়ম্বরময় অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সাদিয়া গুলশানের সিস
প্রতিষ্ঠান উদযাপন করলো পহেলা ফাল্গুন।সৃষ্টিশীল নারী সাদিয়া সম্পুর্ণ নতুন আঙ্গিকে আয়োজন করেছিলো কমিউনিটির মেয়েদের জন্য এই পহেলা ফাল্গুন অনুষ্ঠানটির।
টরন্টো এবং আনুসঙ্গিক এলাকার বাঙালি মেয়েরা তাদের সৃষ্টিশীলতা আর সাংস্কৃতিক মননের পরিচয় রাখলো এই অনুষ্ঠানটিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী ভাষনে সাদিয়া সংক্ষেপে জানালেন তার প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ কর্মলিপি সম্পর্কে। টরন্টো শহরের লবঙ্গ রেস্তোরাতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি ছিলো গান, আনন্দ আর নৃত্যকলায় ভরপুর যা বাঙালি সংস্কৃতির পহেলা ফাল্গুনের মর্মবানী আবারও সবার সামনে তুলে ধরলো। এই প্রতিষ্ঠানের এবারের আয়োজনটি প্রমাণ করলো যে মেয়েরা নিজেরাই অগ্রনী হয়ে কত সুশৃঙ্খল ও সুন্দরভাবে একটি সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপহার দিতে পারে আমাদের কমিউনিটিকে।
যদিও সাদিয়ার সুদুরপ্রসারি চিন্তাধারা রয়েছে সকল ভাষাভাষী এবং বিভিন্ন দেশীয় মেয়েদের নিয়ে কাজ করার তবুও এবারের আয়োজনটি করা হয়েছিলো শুধুই বাঙালি মেয়েদের জন্য ঋতুরাজ ফাল্গুনের আগমন উপলক্ষে।
বাঙালি সংস্কৃতি অবশ্যই বর্ণাঢ্য ও ঐতিহ্যময় এবং এই ভাষাভাষীর লোকেরা বছরের প্রতিটি প্রাকৃতিক পরিবর্তনকেই সানন্দে বরণ করে নেয় উদ্দীপনা ও শিল্পচেতনার মধ্যে দিয়ে। ঋতুরাজ বসন্ত একটি উল্লেখযোগ্য সময়ক্ষণ যা কিনা বাঙালি মনকে প্রকৃতির মতোনই নবরূপে নাড়া দেয়।
বছরের পহেলা ফাল্গুন দিনটিতে বাঙালি মেয়েরা গেরুয়া বর্নের লাল পেড়ে শাড়ি পরে আর মাথার খোপাকে সাজায় গাদা ও গোলাপের মালা দিয়ে। এভাবেই চিরকাল বাঙালি নারী বরণ করে নেয় ঋতুরাজ বসন্তকে। ১৪ ফেব্রুয়ারী পহেলা ফাল্গুনের এই দিনটি বাঙালি জীবনে একটি উল্লেখযোগ্য দিন যা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উৎযাপন করা চিরকালই বাঙালিদের ঐতিহ্য। এই চিন্তাধারাকে সামনে রেখে সাদিয়া আয়োজন করেছিলো এই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার।
যেহেতু ১৪ ফেব্রুয়ারী টরেন্টোতে ছিলো একটি কর্মদিবস সেকারণে সাদিয়ার সিস (সূর্যরশ্মিই শক্তির উৎস) প্রতিষ্ঠান ফাল্গুন উদযাপন করলো ১৭ ফেব্রুয়ারী শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে। অনুষ্ঠানের একটি পর্বে আয়োজন করা হয়েছিলো সাহায্য তহবিল সংগ্রহের। সাদিয়া মনে করেন সবাই যদি এই প্রতিষ্ঠানের জন্য তহবিল বা ফান্ড দেন তবে প্রতিষ্ঠানের কর্মকলাপকে অনেক দ্রুত বাস্তবায়িত করা সম্ভব। সাদিয়া তার উদ্বোধনী ভাষণে সমাজের বিভিন্ন খাতের ব্যাক্তিবর্গকে তার প্রতিষ্ঠানের জন্য তহবিল বা দান দিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে আরও শক্তিশালী এবং সুগঠিত করার জন্য আহবান জানান।
অনুষ্ঠানটির শেষ পর্বে ছিলো লাকি ড্র এর আয়োজন। আনন্দমুখর আড্ডা, এবং ইতিবাচক সম্ভাবনার মধ্যে দিয়ে সমাপ্তি ঘটে সিস প্রতিষ্ঠানটির ফাল্গুন বরণ অনুষ্ঠানের।
সিস (সূর্যরশ্মিই শক্তির উৎস) প্রতিষ্ঠানটির সকল সদস্যদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তারা আরও সুন্দর এবং আনন্দমুখর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপহার দিবে কমিউনিটিকে। web link :www.sunshineinspiresstrength.com, email: [email protected]

