
টরন্টোর একটি হোটেল রেস্টুরেন্টে যুক্তরাষ্ট্রের একজন অতিথি যা চান পেয়েছেন তার চেয়ে বেশিই। ২২ জানুয়ারি রাতে তিনি একটি চিজবার্গারের আদেশ দেন। সেটি যখন পরিবেশন করা হয় তার সঙ্গে দেওয়া হয় যেকোনো ধরনের দাবি ত্যাগের একটি চুক্তিনামাও।
রেডিটে দেওয়া এক পোস্টে ওই ব্যক্তি লেখেন, আমি অবাক হয়ে গেছি। প্ল্যাটফরমটির টরন্টো পেজে পোস্টটি ভাইরাল হয় এবং পোস্টের নিচে ৫০০ এর বেশি মন্তব্য পড়ে।
ওই ব্যক্তি বলেন, মাঝারি আকারের একটি বার্গার তৈরির আদেশ দিয়েছিলেন তিনি। পরিবেশক যতক্ষণে অধিকার পরিত্যাগের চুক্তিপত্র নিয়ে আসেন ততক্ষণে তিনি বার্গারটি খাওয়া শুরু করে দেন।
তিনি বলেন, বার্গারে প্রথম কামড়টি দিয়েই ফেলেছিলাম। পরক্ষণেই খাওয়া বন্ধ করে দিই এবং চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর থেকে বিরত থাকি। সত্যি কথা বলতে আমি খুবই দুঃখ পেয়েছি।
খাবার পরিবেশনকারী ব্যাখ্যা করে বলেন, হিল্টন টরন্টো এয়ারপোর্ট হোটেল অ্যান্ড স্যুটের কিচেন যেহেতু সবসময়ই তাদের বার্গার ভালোমতো রান্না করে থাকে তাই প্রথমেই অতিথিদের অধিকার পরিত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করতে হয়।
অধিকার পরিত্যাগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো ধরনের দায় এবং ক্ষতির জন্য অতিথিকে হিল্টন টরন্টো এয়ারপোর্ট হোটেল অ্যান্ড স্যুটের বিরুদ্ধে সব ধরনের অধিকার, পদক্ষেপ বা দাবি পরিত্যাগ করছে। অর্থাৎ, খাবার থেকে কোনো ধরনের অসুস্থতা দেখা দিলে এবং অতিথির নিজের খাবার খেয়ে বা হিল্টন টরন্টো এয়ারপোর্টের সরবরাহ না করা খাবার খেয়ে মৃত্যু হলে হোটেল কর্তৃপক্ষকে কোনোভাবে দায়ী করা যাবে না।
সিটিভি নিউজ টরন্টোকে তিনি বলেন, এসব দেখে আমি ক্ষুধাই হারিয়ে ফেলি। কারণ একটাই এবং তা হলো যে খাবার তারা সরবরাহ করছে তার ওপর তাদের কোনো আস্থা নেই।
এ ব্যাপারে হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে হিল্টনের একজন মুখপাত্র বলেন, অন্টারিওর খাদ্য নিরাপদতা আইনের সবকিছুই মেনে চলে তারা।

