শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪
-4.1 C
Toronto

Latest Posts

নতুন সম্ভাবনা নিয়ে যাত্রা শুরু করলো নন প্রফিট প্রতিষ্ঠান এস.আই.এস

- Advertisement -

জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাতে খাঁটি সোনাতে পরিণত নারী সাদিয়া গুলশান নতুন বছরে নতুন সম্ভাবনা নিয়ে এলো তার নন প্রফিট প্রতিষ্ঠান এস.আই.এস ( সূর্যরশ্মিই শক্তির উৎস) – এর মাধ্যমে। সাদিয়া বিশ্বাস করেন যে নারীরা একে অপরের “আত্মিক বোন ” অথবা সহচরী হিসেবে নিজেদের সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করতে পারে। বন্ধুদের হাত অথবা সহচরীদের হাত মানুষের জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে মানুষ কে দৃঢ়তার সাথে পা ফেলতে সাহায্য করে। বাংলায় প্রবাদ আছে “সবে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ”।

- Advertisement -

মানবিকতা ও সহনশীলতা এবং নির্বিচারে অপরকে বোন বা বন্ধুর জায়গা দেওয়া এবং প্রয়োজনে সাহায্যের হাতটি বাড়িতে দেওয়াই সাদিয়ার এই এস.আই.এস প্রতিষ্ঠানটির প্রধান উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য।

দেখা যায় সংগ্রামী নারী জীবন যুদ্ধে প্রতিটি ক্ষেত্রেই সংগ্রাম করতে করতে যেন অনেকটা থিতিয়ে যায়। অনেক সময় বিষন্নতা নারীর মনকে ব্যাকুল করে তোলে, মনে হয় যেন জীবনের অনেক চাওয়া পাওয়াই হয়তো মেটেনি। টরেন্টো শহরের এসব মেয়েদের জন্য সাদিয়া গঠন করেছে নতুন নন প্রফিট প্রতিষ্ঠান এস.আই.এস।

সাদিয়া বলেন এই প্রতিষ্ঠান টি সেসব মেয়েদের জন্য যারা ভ্রমণ করতে, একসাথে বসে কফি চা আড্ডায় নিজেদের সুখ দু:খের ভাগীদার হতে, একত্রে গ্রুপে সিনেমা দেখতে পছন্দ করে।

সাদিয়া সবসময় উল্ল্যেখ করেন মেয়েরা বিবাহিত হোক বা অবিবাহিত তাদের সবারই একটি সহচরী দরকার যে কিনা তাদের সব দুষ্টমির সাথী হবে। সাদিয়া বলেন যেসব মেয়েরা একইরকম চিন্তাধারায় বিশ্বাসী, হোক না তারা বৃদ্ধ বা অল্পবয়সী, ধনী বা গরীব সকলেই এস.আই.এস প্রতিষ্ঠান এর মাধ্যমে এক বা একাধিক বন্ধু সহচরী খুঁজে পাবে।

সাদিয়ার প্রিয় গান যা কিনা গ্রুপের সবাইকে উজ্জীবিত করে তোলে তা হলো “ইউ আর মাই সান শাইন, ইউ মেক মি হ্যাপি”। সাদিয়ার এই এস.আই.এস প্রতিষ্ঠান টির নাম সূর্যরশ্মির সাথে সম্পৃক্ত এবং সাদিয়া বলেন আমরা যে কেউ যে কারো জন্য সুর্যরশ্মির ঊদ্দিপনা বয়ে আনতে পারি।

শত ব্যাস্ততা এবং আধুনিক জীবনের সব সংগ্রাম এর পরেও এস.আই.এস প্রতিষ্ঠানের মেয়েরা নিজেদের জন্য কিছুটা সময় বের করে নেয় এস.আই.এস প্রতিষ্ঠানে নানা কর্মকলায় অংশগ্রহণ এর জন্য। এই প্রতিষ্ঠানটির সব মেয়েরাই এক বাক্যে স্বীকার করে সাদিয়া গুলশান এমন একটি সম্ভাবনাময় সুর্যশিখা যে কিনা তাদের জীবনে নতুন আলোর দুয়ার খুলে দিয়েছে। মানুষের জীবনে বড় রকম কোন ঊদ্দীপনা বা পরিবর্তন আনার অন্য রকম একটি শক্তি বা স্পৃহা যেন সাদিয়ার এই এস.আই.এস প্রতিষ্ঠান।

এই প্রতিষ্ঠানটিকে নিয়ে অনেক সুদূরপ্রসারী স্বপ্ন রয়েছে সাদিয়ার। সাদিয়া চাইছেন এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উপকৃত হোক সমাজের সর্বস্তরের মেয়েরা। নিজেদের জ্ঞান, মেধা এবং বুদ্ধি দিয়ে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনুক মেয়েরা এবং নিজেরা ভালো থাকুক এটাই সাদিয়ার চাওয়া।

একজন নারী যখন মনের দিক দিয়ে ভালো থাকবেন তখন সে তার পরিবার ও সমাজকে ভালো কিছু দিতে পারবেন বলে সাদিয়া মনে করেন। শুধুমাত্র টরেন্টো বা কানাডা নয় সাদিয়া চান তার এই এস.আই.এস প্রতিষ্ঠানের ঊদ্দীপনাময় সূর্যরশ্মি ছড়িয়ে পড়ুক গোটা বিশ্বে এবং সমাজের সব মেয়েরা উপকৃত হোক এই এস.আই.এস প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে।

আমাদের সবার দোয়া সাদিয়ার মতন সম্ভাবনাময় মেয়েরা যারা সমাজ পরিবর্তনে অগ্রনী ভুমিকা রাখতে চায় তারা দৃঢ় পদক্ষেপে সামনের দিকে এগিয়ে চলুক। সাদিয়া গুলশান কে বলতে চাই ” ইউ আর নট এলোন, উই আর অলওয়েজ উইথ ইউ”।

দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে চলুক সাদিয়ার এই অভিনব এবং নতুন চিন্তাধারার নতুন প্রতিষ্ঠান এস.আই.এস এটাই হোক আমাদের আজকের কামনা।

- Advertisement -

Latest Posts

Don't Miss

Stay in touch

To be updated with all the latest news, offers and special announcements.