
উগান্ডা থেকে কানাডায় আসার সাত সপ্তাহ পর রিচার্ড বালে শুক্রবার উইন্ডসরগামী একটি বাসে উঠে বসেন। উদ্দেশ্য টেকসই আবাসনের সন্ধান।
৩৮ বছর বয়সী এই শরনার্থী বলেন, এটা সহজ ছিল না। সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশনের কারণে নানা অসুবিধা, নিপীড়নের মুখে পড়তে হয় আমাকে। এ কারণে দেশ ছাড়তে বাধ্য হই। রাজনৈতিক সংযোগের কারণেও নির্যাতনের মুখে পড়তে হয় আমাকে।
টরন্টো থেকে যে ১০০ জন শরনার্থীকে নায়াগ্রা ফলস ও উইন্ডসরে পাঠানো হয়েছে বালে তাদের একজন। তাদেরকে অন্যত্র পাঠানোর উদ্দেশ্য টরন্টোর শেল্টার সিস্টেমের ওপ থেকে চাপ কমানো। শেল্টার সিস্টেম প্রতি রাতে অন্তত ৩০০ মানুষকে ফিরিয়ে দিয়ে থাকে।
হাম্বার রিভার-ব্ল্যাক ক্রিকের এমপিপি টম রাকোসেভিচ বলেন, এখানে ২০০ এর বেশি মানুষ রয়েছে। ডমিনিয়ন চার্চ ইন্টারন্যাশনালের বাইরে দাঁড়িয়ে এই কথা বলছিলেন তিনি। চার্চটিও জরুরি আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে সেবা দিচ্ছে।
তিনি বলেন, এদের কেউ কেউ সেখানে ছিলেন যা এখন বন্ধ হয়ে গেছে। বাধ্য হয়ে লোকজনকে রাস্তায় ঘুমাতে হচ্ছে। তাদেরকে অন্য কোথাও সরিয়ে নিতে একটি বাস আসে। কিন্তু আবহাওয়া ক্রমেই ঠান্ডা হতে থাকায় এবং বৃষ্টি চলে আসায় সেটা আর এগোয়নি।
চার্চ কর্তৃপক্ষ শরনার্থীদের অন্য সিটিতে স্থানান্তরের জন্য ইমিগ্রেশন, রিফিউজিচস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডার কাছে সহায়তার আবেদন করেছিল। মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, আমরা এ ব্যাপারে একটি জাতীয় পদক্ষেপ নিচ্ছি। সেই সঙ্গে সারাদেশের কমিউনিটিগুলোর সঙ্গে কাজ করছি, যাদে আশ্রয়প্রার্থীদের সাময়িক সময়ের জন্য আশ্রয় দেওয়ার সামর্থ্য রয়েছে। যাতে করে কানাডার কোনো একটি বিশেষ অঞ্চলের ওপর অত্যধিক চাপ না তৈরি হয়।

