বুধবার, ডিসেম্বর ৮, ২০২১
-6 C
Toronto

Latest Posts

লিবারেল ককাস থেকে ব্রাম্পটনের এমপি রমেশ সাঙ্গা বহিস্কার

- Advertisement -
লিবারেল এমপি রমেশ সাঙ্গা…ছবি/ টরন্টো স্টার

‘ভিত্তিহীন ও ভয়ংকর’ অপপ্রচারণার কারণে টরন্টোর অদূরবর্তী ব্রাম্পটন সেন্টারের এমপি রমেশ সাঙ্গাকে ক্ষমতাসীন লিবারের দলীয় ককাস থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে তিনি স্বতন্ত্র এমপি হিসেবে কানাডার জাতীয় সংসদ তথা হাউজ অব কমন্সে জনপ্রতিনিধিত্ব করবেন। গত সোমবার এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বয়ং সরকারি দলের চিফ হুইপ মার্ক হল্যান্ড।

একজন আইনজীবি হিসেবে ২০১৫ সালের জাতীয় নির্বাচনে রমেশ সাঙ্গা প্রথম ফেডারেল এমপি নির্বাচিত হন। এতে লিবারেল ককাস থেকে তার বহিস্কারেরর বিষয়ে চিফ হুইপ প্রদত্ত এক বিবৃতিতে প্রকাশ, সম্প্রতি তিনি তার সতীর্থদের সম্পর্কে ‘ভিত্তিহীন ও ভয়ংকর’ অপপ্রচারণায় লিপ্ত হন। সুনির্দিষ্টভাবে ওই বিবৃতি বলা হয় যে, ‘আমরা আগেই বারংবার বলেছি, আমরা কোনো ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্ব, এমনকী ভয়ংকর ও ভিত্তিহীন কোনো অপবাদ কোনো সংসদ সদস্য কিংবা কানাডিয়ানের বিরুদ্ধে সহ্য করবো না।’ ‘দুঃখজনক হলেও অতীত প্রেক্ষাপটের কারণে অনেক কানাডিয়ানের মাঝে নানা সন্দেহের উদ্রেক ঘটে এবং তার পরিণতি কী আমরা তা অবহিত।’

- Advertisement -

মার্ক হল্যান্ড জানিয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে রমেশ সাঙ্গার বিষয়ে কথা বললে সোমবার অপরাহ্নেই তাকে লিবারেল ককাস থেকে বহিস্কার করা হয়। সূত্র মতে, রমেশ সাঙ্গা লিবারেল এমপি নবদ্বীপ বেইন সম্পর্কে অযাচিত মন্তব্য করেন, যিনি ধর্মচর্চায় একজন শিখ। গতমাসে বেইন লিবারেল মন্ত্রী পরিষদ থেকে বিদায় নেন; কারণ পারিবারিক সূত্র বলছে তিনি আর পরবর্তী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না।

২০১৯ সালে দৈনিক ন্যাশনাল পোস্টের এক প্রতিবেদনে প্রকাশ, সাঙ্গা অভিযোগ তোলেন যে শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ‘অভিলাষ’ পূরণে লিবারেল সরকার নিয়োজিত হওয়ায় ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। ওই পত্রিকাটি মিসিসগাভিত্তিক পাঞ্জাবি রেডিও ‘ফাইভএএবি’-তে দেয়া সাঙ্গার বক্তব্যের উদ্ধৃতিতে বলেছে, ‘সন্দেহাতীতভাবে বলা যায়, লিবারেল পার্টিতে খালিস্তান সমর্থকদের অভিলাষ পূরণে কোনো দ্বৈত দৃষ্টিভঙ্গী নেই।’ ‘তবে এটা ঠিক যে, যখন আমরা সে প্রসঙ্গের অবতারণা করি, তখন ভারত বিরোধী শ্লোগান দেই কিংবা কোনো যুক্তিতে তার বিভক্তি চাই। তাতে স্বাভাবিকভাবেই কানাডা-ভারত সম্পর্কে চিড় ধরার সমতুল্য।’

বাস্তবে খালিস্তান আন্দোলনটি হচ্ছে শিখদের স্বাধীনতার ডাক, যা শিখদের জন্য ভারতে স্বতন্ত্র খালিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ। বিষয়টি ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর ভারত সফরের সময় থেকেই তার সরকারকে তাড়া করে ফিরছে। বিশেষত যখন ভারতের উচ্চপর্যায়ের রাজনীতিকবর্গ ও মিডিয়া রিপোর্ট প্রশ্ন তোলে ট্রুডোর মন্ত্রী পরিষদ খালিস্তান আন্দোলনকেই সমর্থন করে চলেছে, যেখানে তার প্রতিরক্ষামন্ত্রী হারজিত সাজ্জান, অবকাঠামো মন্ত্রী আমারজিত সোহি ও অপরাপররা রয়েছেন। অবশ্য সে সময় ওই মন্ত্রীরা সমস্বরেই তার প্রতিবাদ করেছেন।

- Advertisement -

Latest Posts

Don't Miss

Stay in touch

To be updated with all the latest news, offers and special announcements.