
ব্যক্তিগত মালিকদের কাছে থেকে অ্যাসল্ট-স্টাইল আগ্নেয়াস্ত্র পুনঃক্রয় কর্মসূচি শুরু করার পরিকল্পনা করছে ফেডারেল সরকার। নোভা স্কশিয়ায় পরীক্ষামূলক প্রকল্পের মধ্য দিয়ে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করতে চায় সরকার।
পরীক্ষামূলক এই প্রকল্পের আওতায় কেপ ব্রেটন এলাকার সুনির্দিষ্ট কিছু মালিক সারা দেশজুড়ে এটি শুরু হওয়ার আগে সুযোগ নিতে পারবেন। আগ্নেয়াাস্ত্রের মালিকরা ওয়েব পোর্টালে ঢুকে ১ অক্টোবর থেকে তাদের আগ্রহ ঘোষণা করতে পারবেন। অংশগ্রহণকারীরা নিবন্ধিত গানস্মিথ ব্যবহার করে তাদের আগ্নেয়াস্ত্র অকার্যকর করতে পারবেন অথবা পুলিশের কাছে তা ফেরত দিতে পারবেন।
জননিরাপত্তামন্ত্রী গ্যারি আনান্দসাংগ্রি পার্লামেন্ট হিলে বলেন, আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যাপারে কঠোর না হয়ে আপনি অপরাধের ব্যাপারে কঠোর হতে পারবেন না। এই কর্মসূচি তারই অংশ।
২০২০ সালের মে মাস থেকে অটোয়া যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় তার ভিত্তিতে প্রায় আড়াই হাজার ধরনের অস্ত্র অবৈধ ঘোষণা করেছে। এসব অস্ত্র শিকারী বা স্পোর্ট শুটারদের হাতে থাকে না।
সরকার বলছে, এই পুনঃক্রয় কর্মসূচি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেবে। ফৌজদারি দায়বদ্ধতা থেকে এসব আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকদের একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অব্যাহতিও দেবে কর্মসূচিটি।
আনান্দসাংগ্রি সম্প্রতি বলেন, অস্ত্র পুঃক্রয় কর্মসূচি বাবদ অটোয়া ৭০ কোটি ডলারের বেশি বাজেট বরাদ্দ রেখেছে।
আগ্নেয়াস্ত্র অধিকার নিয়ে কথা বলা ব্যক্তি ও সংগঠন এবং ফেডারেল কনজার্ভেটিভরা এই কর্মসূচিকে আইন মান্যকারী অস্ত্রের মালিকদের উদ্দেশ্য করে করদাতাদের অর্থের খারাপ ব্যবহার হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
কেপ ব্রেটন রিজিয়নাল পুলিশ সার্ভিসের প্রধান রবার্ট ওয়ালশ মঙ্গলবার বলেন, অস্ত্রমালিকদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল রাখার একটি উপায় হচ্ছে এই ক্ষতিপূরণ কর্মসূচি। যা তাদের রাখার অধিকার আর নেই তা ফেরত দেওয়ার একটি সুযোগ হিসেবে আমরা এটাকে দেখছি। এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে জননিরাপত্তা ও কমিউনিটির সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ১২ হাজারের বেশি অস্ত্র এরই মধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে। কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে এর বিপরীতে প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।

