
বাণিজ্য সম্পর্ক এবং বন্দর, রেল ও জ্বালানি করিডোরের মতো অবকাঠামো উন্নয়নে অংশীদারিত্ব গভীর করতে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কানাডা ও মেক্সিকো। অপরাধ প্রতিরোধের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষার মতো বিষয়ও রয়েছে এই চুক্তিতে।
কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশীপ নামে পরিচিত চুক্তিটিতে কানাডার পক্ষে স্বাক্ষর করেছেন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এবং মেক্সিকোর পক্ষে দেশটির প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবম। মেক্সিকো সিটিতে বৃহস্পতিবার চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তির মধ্যে যেসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যমন্ত্রী ডমিনিক লাব্লাঁর নেতৃত্বে মেক্সিকোতে একটি বাণিজ্য মিশন পাঠানো। পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই এবং অভিবাসন আত্তীকরণে জাতিসংঘ নেতৃত্বাধীন একটি প্রকল্পে ৯৯ লাখ ডলার তহবিল প্রদানও এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত।
প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেন, কানাডা এবং মেক্সিকো র্পাসপরিক সহযোগিতার নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ¦ালানি ও নিরাপত্তায় অংশীদারিত্ব আমরা নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছি, যাতে করে কানাডিয়ান কর্মীদের জন্য আরও সুযোগ সুষ্টি হয়, কানাডিয়ান ব্যবসায়ীদের জন্য বাজার সম্প্রসারিত হয় এবং কানাডিয়ানদের জন্য আরও বেশি নিশ্চয়তা তৈরি হয়। সেই সঙ্গে উত্তর আমেরিকাকে বিশ্বে সবচেয়ে প্রতিযোগিতাসক্ষম এবং গতিশীল বাজার হিসেবে গড়ে তোলাও এই চুক্তির উদ্দেশ্য।
মেক্সিকোয় প্রতিনিধিদলের অংম হিসেবে ছিল দি কানাডিয়ান চেম্বার অব কমার্স। কার্নির এই ঘোষণাকে তারা সাধুবাদ জানিয়েছে।
ইন্টারন্যাশনাল পলিসি অ্যান্ড গ্লোবাল পার্টনারশীপের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্যাথেরিন ফরটিন-লোফেইবার বলেন, কানাডা যেহেতু আমাদের বাণিজ্যে বৈচিত্র্য আনছে তাই মেক্সিকোর থাকা উচিত এই তালিকার শীর্ষে এবং উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত।
এর আগে গত আগস্টে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, নিরাপত্তা ও বাণিজ্য নিয়ে আলোচনার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনীতা আনান্দ এবং অর্থমন্ত্রী ফ্রাসোয়াঁ-ফিলিপে শ্যাম্পেইন মেক্সিকো সফর করেন। কানাডিয়ান ও মেক্সিকান ব্যবসায়ী নেতাদের একটি প্রতিনিধিদলও তাদের সঙ্গে ছিল।
কার্নি এবং মেইনবম বৃহস্পতিবার একান্ত বৈঠকে মিলিত হন। এরপর অনীতা আনান্দ, লাব্লাঁ এবং কার্নির সংসদীয় সেক্রেটারি রাচেল বেদনায়ানের সঙ্গে ওয়ার্কিং লাঞ্চে অংশ নেন।

