
এক শিখ আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে অস্ত্র-সংক্রান্ত অপরাধের ডজনখানেক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ওই আন্দোলনকারীর জীবন বিপন্ন বলে এর আগে সতর্ক করেছিল পুলিশ। গ্লোবাল নিউজের হাতে আসা আদালতের নথি থেকে এমনটাই জানা গেছে।
ইন্দারজিত সিং গোসাল নামে ওই শিখ আন্দোলনকারীকে শুক্রবার অন্টারিওর হুইটবি থেকে গ্রেপ্তার করেন অন্টারিও প্রভিন্সিয়াল পুলিশের কর্মকর্তারা। হ্যান্ডগানের অসতর্ক ব্যবহারের পাশাপাশি অন্যান্য আরও কিছু অপরাধের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ওশোয়ার একটি আদালতে সোমবার হাজির করা হয় গোসালকে। তার পাশাপাশি টরন্টোর বাসিন্দা ২৩ বছর বয়সী আরমান সিং এবং নিউ ইয়র্কের বাসিন্দা ৪১ বছর বয়সী জাগদীপ সিংয়ের বিরুদ্ধেও অভিযোগ গঠন করা হয়।
অন্টারিওর ব্র্যাম্পটনের বাসিন্দা ৩৬ বছর বয়সী গোসাল খালিস্তান আন্দোলনের কানাডিয়ান নেতা। ভারতের শিখ সংখ্যাগরিষ্ঠ পাঞ্জাবে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে যে আন্দোলন সেটাই খালিস্তান আন্দোলন নামে পরিচিত।
তিনি খালিস্তানের ওপর একটি গণভোটের প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। পূর্বসূরি হারদীপ সিং নিজ্জর নিহত হওয়ার পর এই পাদে আসেন গোসাল। নিজ্জর ও গোসাল উভয়েই নিউ ইয়র্কভিত্তিক শিখস অব জাস্টিসের নেতা গুরপাতওয়ান্ত সিং পানুনের সহযোগী। পানুনও ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার গুপ্তহত্যার লক্ষ্যে ছিলেন।
গ্লোবাল নিউজকে দেওয়া সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে গোসাল বলেন, আমার জীবন যে হুমকিতে রয়েছে আরসিএমপি সে ব্যাপারে আমাকে সতর্ক করেছিল। সেই সঙ্গে আমাকে পুলিশি নিরাপত্তার প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু আমি তা নিইনি। এর জন্য ভারত সরকারকে দায়ী করেন গোসাল।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গত ১১ সেপ্টেম্বর একটি চবি পোস্ট করেন গোসাল। পোস্টে অটোয়ায় ভারতীয় হাইকমিশনের বাইরে এক বিক্ষোভে তাকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি পায়ে মাড়াতে দেখা যায়।

