
চলতি বছরের গোড়ার দিকে সীমান্তের দক্ষিণ থেকে শুল্ক ঝড় আসায় বাড়ি নির্মাণসহ বহু শিল্প ভবিষ্যতে কী অপেক্ষা করছে তা নিয়ে ভয়ের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির সরবরাহ দ্রুত করা এবং কানাডার আবাসনের ক্রয়ক্ষমতার ঘাটতি পরিস্থিতির উন্নতি করার ব্যাপারে অংশীজনরা সতর্ক আছে। শুল্ক এবং ম্যাটেরিয়াল নির্দিষ্ট সুনির্দিষ্ট লেভির অর্থ হলো সামনে আরও প্রতিবন্ধতা অতিক্রম করতে হবে।
এর ফলে বাড়ি নির্মাণের গতি হয়তো শ্লথ করার প্রয়োজন হবে। কারণ, সরবরাহ শৃঙ্খল পরিবর্তিত হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ সামগ্রী আরও বেশি ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে।
দক্ষিণ অন্টারিওর আবাসিক ভবন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জেরানিয়াম হোমসের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট শেরিল শিন্ড্রাক বলেন, ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব ঠিক কী তা সুনির্দিষ্ট করা বলা কঠিন। তবে ব্যবসায় আস্থার ওপর এর একটি প্রভাব যে আছে সেটা আমরা নিশ্চিত করেই বলতে পারি। সেই সঙ্গে সময়মতো নির্মাণ সামগ্রী হাতে পাওয়ার বিষয়ও রয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডেনাাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফেরার প্রায় ছয় মাস পর বাড়ি নির্মাণ খাত বলেছে, নির্মাণ সামগ্রীর মূল্য এবং সময়মতো তা হাতে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা পিছু ছাড়ছে না।
শিন্ড্রাক বলেন, তাদের প্রতিষ্ঠান এখন ইট ও পাথরের মতো কানাডায় উৎপাদিত সামগ্রী বেশি করে সংগ্রহ করছে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থেকে পণ্য আমদানিও বাড়িয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইস্পাত, যা তারা দক্ষিণ কোরিয়া, পর্তুগাল ও চীন থেকে সংগ্রহ করছে। ট্রাম্পের শুল্কের প্রতিক্রিয়া আমেরিকান ইস্পাতের ওপর সারট্যাক্স এড়াতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে তারা।
তিনি বলেন, তবে কিছু সামগ্রী আছে যেগুলো দেশ থেকে বা অন্য আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সংগ্রহের সুযোগ নেই। উদাহরণ হিসেবে জেরানিয়ামের ব্যবহৃত লেয়ার্ড গ্লাস উইন্ডোর কথা উল্লেখ করা যায়। প্যাটেন্ট ইস্যুর কারণে যুক্তরাষ্ট্র থেকেই এগুলোর আমদানি অব্যাহত রাখতে হবে।

