মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ৭:৪৪ am

পূর্ণ ডোজ ভ্যাকসিনেও আক্রান্তের ঝুঁকি


পূর্ণ ডোজ ভ্যাকসিনেও আক্রান্তের ঝুঁকি

কানাডার প্রধান জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. তেরেসা ট্যাম

পূর্ণ ডোজ ভ্যাকসিন নেওয়ার পরও কোভিড-১৯ এ আক্রান্তের ঝুঁকি রয়েছে বলে কানাডিয়ানদের সতর্ক করেছেন কানাডার প্রধান জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. তেরেসা ট্যাম। তবে ফাইজার-বায়োএনটেক, মডার্না বা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দুই ডোজ ভ্যাকসিনই যারা নিয়েছেন তাদের মধ্যে অ্যাসিম্পটোমেটিক সংক্রমণের ঝুঁকি কম বলে জানান তিনি।

শনিবার এক অনুষ্ঠানে ডা. তেরেসা ট্যাম বলেন, তবে এটা চূড়ান্ত সুরক্ষা নয়। ভ্যাকসিন সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে পারে, পুরোপুরি দূর করতে পারে না। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, এটি নাকের পেছনে ভাইরাসের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। আর কম ভাইরাসের অর্থ হলো সংক্রমণের কম ঝুঁকি।

ফ্রন্টলাইন ও অত্যাবশ্যকীয় তরুণ কর্মীরা এখনও ভ্যাকসিনের অগ্রাধিকার তালিকায় নিচের দিকে অবস্থান করছেন। উপসর্গ দেখা না দিলেও তারাই এখন সবচেয়ে বেশি হারে আক্রান্ত হচ্ছেন বলে জানান ডা. তেরেসা ট্যাম। তিনি বলেন, ভাইরাসটি সবচেয়ে বেশি বিস্তার ঘটছে যে গোষ্ঠীর মাধ্যমে তা হলো তরুণরা। তাদের ঘরে বসে থাকার উপায় নেই। কাজ করতেই হয় তাদের। তাদেরকে সুরক্ষা দেওয়া জরুরি। কারণ, তাদের সুরক্ষিত রাখা গেলে কমিউনিটিতে সংক্রমণ হ্রাস পাবে। 

আলবার্টাসহ কানাডার অন্যান্য অঞ্চল কোভিড-১৯ এর তৃতীয় ঢেউয়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদিও অন্টারিও এবং কুইবেকে রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির হার কমে এসেছে। দেশের অনেক অঞ্চলে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। সমগ্র অন্টারিও এবং আলবার্টার সব স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

সেই সঙ্গে দেশজুড়ে ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচিও জোরেশোরে চলছে। অন্টারিওর কিছু হটস্পটে প্রায় ১৫০টি ফার্মেসি সবাইকে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু করেছে। গত বৃহস্পতিবার কুইবেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ৬২ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। এক দিনে কুইবেকে এতো বিপুল সংখ্যক মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়ার ঘটনা এই প্রথম। 

কুইবেকের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। টানা ষষ্ঠ দিনের মতো শনিবার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজারের নিচে নেমে এসেছে। হাসপাতালে ভর্তিও কমেছে। 

Comments