মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ৮:২১ am

অ্যামাজনের দুটি সেন্টার বন্ধের নির্দেশ

অ্যামাজনের দুটি সেন্টার বন্ধের নির্দেশ

ফাইল ছবি

পিল রিজিয়নে অ্যামাজনের দুটি ফুলফিলমেন্ট সেন্টার আংশিক বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেন্টার দুটিতে পাঁচের অধিক কর্মী কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতেই এ নির্দেশ। শুক্রবার দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্র্যাম্পটনের ৮০৫০ হেরিটেজ রোড ও বোল্টনের ১২৭২৪ কোলারেইন ড্রাইভের অ্যামাজন সেন্টার দুটি কমপক্ষে ১০ দিনের জন্য বন্ধ থাকছে।

শতাধিক কোভিড রোগী সনাক্ত হওয়ার ঘটনায় পিল জনস্বাস্থ্য বিভাগ গত মাসেও ব্র্যাম্পটনের অ্যামজন সেন্টারটি দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ করে দেয়। হেলথ প্রোটেকশন অ্যান্ড প্রোমোশন অ্যাক্টের অধীনে নতুন ধারা সেকশন ২২ শুক্রবার প্রয়োগের পরদিন কর্মক্ষেত্র বন্ধের তালিকা হালনাগাদ করে পিল রিজিয়ন। কর্মক্ষেত্রে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বন্ধের লক্ষ্যে পিল ও টরন্টোর শীর্ষ চিকিৎসকরা আদেশটি বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন।

অ্যামাজনের উভয় সেন্টার আংশিক বন্ধের কারণে ঠিক কতজন কর্মী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সে তথ্য এখনও নিশ্চিত করেনি পিল কর্তৃপক্ষ। পিল রিজিয়ন জনস্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. লরেন্স লোহ বলেন, আদেশের ফলে কর্মীদেরকে নিভৃতবাসে থাকতে হবে এবং নিয়োগদাতাকে কর্মীদের বেতন প্রদান অব্যাহত রাখতে হবে। 

স্কুল, হাসপাতাল, চাইল্ডকেয়ার সেন্টার এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো যেমন বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ কেন্দ্র এ নির্দেশনার আওতায় আসবে না।

শুক্রবার পর্যন্ত পিল রিজিয়নে সংক্রমণ দেওয়া কর্মক্ষেত্রগুলোর মধ্যে ৩৫ দশমিক ৯ শতাংশ উৎপাদন ও শিল্প খাত। এরপর ১২ দশমিক ৭ শতাংশ খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র।

ডা. লরেন্স লোহ এবং অন্য জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বারবার বলে আসছেন জনবহুল ও কর্মক্ষেত্রগুলো পিল রিজিয়নে সংক্রমণের হটস্পট। তাই সংক্রমণ হ্রাসে সরকারকে আরও পদক্ষেপ নিতে হবে। সবেতন ছুটি এর মধ্যে অন্যতম। সবেতন ছুটির মতো কর্মসূচির কথা সরকার ভাবছে বলে জানিয়েছেন অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ডও। তবে কবে নাগাদ এটি চালু হতে পারে সে ঘোষণা দেননি তিনি।  

অসুস্থ্য কর্মীরা বর্তমানে কানাডা রিকভারি অ্যান্ড সিকনেস বেনিফিটের (সিআরএসবি) আওতায় বেতনের জন্য আবেদন করতে পারেন। ফেডারেল কর্মসূচিটির আওতায় সপ্তাহে ৫০০ ডলার পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়। তবে আবেদন অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত যে কোনো বেতন পাননি সেটা প্রমাণ করতে হবে আবেদনকারীকে। 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Comments