শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ৪:১৫ am

কঠোর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন চান দুই-তৃতীয়াংশ কানাডিয়ান

কঠোর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন চান দুই-তৃতীয়াংশ কানাডিয়ান

টরন্টো পুলিশের উদ্ধার করা কিছু অস্ত্র...ছবি/টরন্টো পুলিশ

কঠোর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের পক্ষে সমর্থন ব্যক্ত করেছেন দুই-তৃতীয়াংশ কানাডিয়ান। আইনে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের বিষয়ে বাধ্যতামূলক ‘বাইব্যাক কর্মসূচি’ অন্তর্ভূক্তির পক্ষেও মত দিয়েছেন কানাডার অর্ধেকের বেশি নাগরিক।

লেজার অ্যান্ড দ্য অ্যাসোসিয়েশন ফর কানাডিয়ান স্টাডিজের নতুন এক সমীক্ষায় এমন মতামত উঠে এসেছে। লিবারেল সরকারের সাম্প্রতিক অস্ত্র বিল নিয়ে বিতর্কের মধ্যে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ সমীক্ষাটি পরিচালনা করে লেজার। ১ হাজার ৫২৩ জন এতে অংশ নেন। 

সম্প্রতি অবৈধ ঘোষণা করা অনেক আগ্নেয়াস্ত্র ফিরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে বিল সি-২১ এ। তবে মালিকার এটা নিজেদের অধিকারে রাখতে চাইলে কঠোর শর্ত পালন করতে হবে। এর অন্যতম হলো সেগুলোর নিবন্ধন নেওয়ার পাশাপাশি নিরাপদে সংরক্ষণ।

লেজারের সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৫২ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন বাইব্যাক কর্মসূচি বাধ্যতামূলক করা উচিত। আর ৬৬ শতাংশ বলেছেন, সাধারণভাবে কঠোর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন থাকা বাঞ্ছণীয়।

বিল সি-২১ এর বিরোধিতা করেছে পলিসেসোভিয়েন্ত নামের একটি সংগঠন। বিলটিকে দুর্বল আখ্যায়িত করে এমপিদের এর বিপক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা। সাম্প্রতি সময়ে যেসব আগ্নেয়াস্ত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলোর অপব্যবহার যাতে না হয় সেজন্য বাইব্যাক বাধ্যতামূলক করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

যদিও সরকারের প্রস্তাবের সঙ্গে সহমত জানিয়ে বাইব্যাক কর্মসূচিকে ঐচ্ছিক করার পক্ষে মত দিয়েছেন সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৩৫ শতাংশ কানাডিয়ান। তবে হ্যান্ডগান বন্ধের বিষয়ে কিছু জানতে চাওয়া হয়নি সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের কাছে। 

সার্বিকভাবে ৬৬ শতাংশ কানাডিয়ান কঠোর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের সমর্থন করলেও ১০ শতাংশ বলেছেন, নিয়ন্ত্রণ শিথিল হওয়া দরকার। এখন যা আছে সেরকমটাই রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ১৯ শতাংশ কানাডিয়ান।

অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করার পক্ষে সবচেয়ে বেশি মত এসেছে কুইবেক থেকে। প্রদেশটির ৭৫ শতাংশ নাগরিক এর পক্ষে মত দিয়েছেন। আর বাইব্যাক কর্মসূচির পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন প্রদেশের ৬২ শতাংশ নাগরিক। 

১৯৮৯ সালে মন্ট্রিয়লের ইকোল পলিটেকনিকে নির্বিচার গুলিবর্ষণে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো নিয়ে কাজ করছে পলিসেসোভিয়েন্ত। ওই ঘটনায় ১৪ জন নারী প্রাণ হারিয়েছিলেন। এসব পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য সম্প্রতি বলেছেন, সরকার বিল সি-২১ কঠোর না করা পর্যন্ত ওই ঘটনার স্মরণসভায় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে আমন্ত্রণ জানানো হবে না। 

 

 

টরন্টো পুলিশের উদ্ধার করা কিছু অস্ত্র...ছবি/টরন্টো পুলিশ

কঠোর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন চান দুই-তৃতীয়াংশ কানাডিয়ান

কঠোর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের পক্ষে সমর্থন ব্যক্ত করেছেন দুই-তৃতীয়াংশ কানাডিয়ান। আইনে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের বিষয়ে বাধ্যতামূলক ‘বাইব্যাক কর্মসূচি’ অন্তর্ভূক্তির পক্ষেও মত দিয়েছেন কানাডার অর্ধেকের বেশি নাগরিক।

লেজার অ্যান্ড দ্য অ্যাসোসিয়েশন ফর কানাডিয়ান স্টাডিজের নতুন এক সমীক্ষায় এমন মতামত উঠে এসেছে। লিবারেল সরকারের সাম্প্রতিক অস্ত্র বিল নিয়ে বিতর্কের মধ্যে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ সমীক্ষাটি পরিচালনা করে লেজার। ১ হাজার ৫২৩ জন এতে অংশ নেন। 

সম্প্রতি অবৈধ ঘোষণা করা অনেক আগ্নেয়াস্ত্র ফিরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে বিল সি-২১ এ। তবে মালিকার এটা নিজেদের অধিকারে রাখতে চাইলে কঠোর শর্ত পালন করতে হবে। এর অন্যতম হলো সেগুলোর নিবন্ধন নেওয়ার পাশাপাশি নিরাপদে সংরক্ষণ।

লেজারের সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৫২ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন বাইব্যাক কর্মসূচি বাধ্যতামূলক করা উচিত। আর ৬৬ শতাংশ বলেছেন, সাধারণভাবে কঠোর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন থাকা বাঞ্ছণীয়।

বিল সি-২১ এর বিরোধিতা করেছে পলিসেসোভিয়েন্ত নামের একটি সংগঠন। বিলটিকে দুর্বল আখ্যায়িত করে এমপিদের এর বিপক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা। সাম্প্রতি সময়ে যেসব আগ্নেয়াস্ত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলোর অপব্যবহার যাতে না হয় সেজন্য বাইব্যাক বাধ্যতামূলক করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

যদিও সরকারের প্রস্তাবের সঙ্গে সহমত জানিয়ে বাইব্যাক কর্মসূচিকে ঐচ্ছিক করার পক্ষে মত দিয়েছেন সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৩৫ শতাংশ কানাডিয়ান। তবে হ্যান্ডগান বন্ধের বিষয়ে কিছু জানতে চাওয়া হয়নি সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের কাছে। 

সার্বিকভাবে ৬৬ শতাংশ কানাডিয়ান কঠোর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের সমর্থন করলেও ১০ শতাংশ বলেছেন, নিয়ন্ত্রণ শিথিল হওয়া দরকার। এখন যা আছে সেরকমটাই রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ১৯ শতাংশ কানাডিয়ান।

অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করার পক্ষে সবচেয়ে বেশি মত এসেছে কুইবেক থেকে। প্রদেশটির ৭৫ শতাংশ নাগরিক এর পক্ষে মত দিয়েছেন। আর বাইব্যাক কর্মসূচির পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন প্রদেশের ৬২ শতাংশ নাগরিক। 

১৯৮৯ সালে মন্ট্রিয়লের ইকোল পলিটেকনিকে নির্বিচার গুলিবর্ষণে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো নিয়ে কাজ করছে পলিসেসোভিয়েন্ত। ওই ঘটনায় ১৪ জন নারী প্রাণ হারিয়েছিলেন। এসব পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য সম্প্রতি বলেছেন, সরকার বিল সি-২১ কঠোর না করা পর্যন্ত ওই ঘটনার স্মরণসভায় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে আমন্ত্রণ জানানো হবে না। 

 

 

 

Comments