রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ১২:৫০ am

কর্মহীন ও অভিভাবকরা আরও ১২ সপ্তাহ আর্থিক সহায়তা পাবেন

কর্মহীন ও অভিভাবকরা আরও ১২ সপ্তাহ আর্থিক সহায়তা পাবেন

মহামারির কারণে কাজ হারানো কর্মী ও যেসব অভিভাবকের বাড়িতে সন্তান আছে তাদেরকে আরও ১২ সপ্তাহ আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে জাস্টিন ট্রুডোর লিবারেল সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী, কানাডা রিকভারি বেনিফিট ও কানাডা রিকভারি কেয়ারগিভিং বেনিফিটের আওতায় সাপ্তাহিক ৫০০ ডলার করে আর্থিক সহায়তা ২৬ সপ্তাহের পরিবর্তে ৩৮ সপ্তাহ দেওয়া হবে।
অসুস্থতাজনিত আর্থিক সহায়তার মেয়াদও বর্ধিত করা হচ্ছে। কোভিড-১৯ এর কারণে কেউ অসুস্থ্য হলে বা বাড়িতে আইসোলেশনে থাকার প্রয়োজন পড়লে তিনি দুই সপ্তাহের পরিবর্তে চার সপ্তাহ সিকনেস বেনিফিট প্রাপ্য হবেন। পাশাপাশি ইন্স্যুরেন্স বেনিফিটের আওতায় সেপ্টেম্বরের শেষ দিক থেকে যারা আবেদন করেছেন তারাও বিদ্যমান ২৬ সপ্তাহের পরিবর্তে ৫০ সপ্তাহের জন্য সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হবেন।
আগামী সপ্তাহে সরকারি সহায়তা বন্ধ হওয়া নিয়ে যারা উদ্বেগে ছিলেন তাদের জন্য এটা বিরাট স্বস্তির খবর বলে জানান কানাডিয়ান লেবার কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট হাসান ইউসুফ। সেই সঙ্গে সরকারের এ আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি এ বছরের শেষ পর্যন্ত চালু রাখারও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
হাসান ইউসুফ বলেন, সরকার বাজেটের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ অবস্থায় কর্মসংস্থান মহামারি-পূর্ব অবস্থানে না ফেরা পর্যন্ত তাদের জন্য কি ধরনের সহায়তা থাকছে সরকারের তরফ থেকে সে ব্যাপারে ঘোষণা থাকা উচিত।
নতুন করে লকডাউন কারণে কানাডার শ্রমবাজারকে গত আগস্টে যে অবস্থানে ছিল সেখানে ঠেলে দিয়েছে। এর ফলে মহামারি-পূর্ব সময়ের চেয়ে কর্মসংস্থানে ঘাটতি রয়েছে ৮ লাখ ৫৮ হাজার ৩০০।
কর্মসংস্থানমন্ত্রী কার্লা কোয়ালট্রো বলেন, সরকারি সহায়তা বর্ধিত করার বিষয়টি জানুয়ারির শুরুর দিকে পর্যালোচনার পরিকল্পনা করে সরকার। কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার পর সহায়তার মেয়াদ বাড়াতে সহায়তা করেছে।
কানাডা ইমারজেন্সি রিকভারি বেনিফিটের স্থলে চালু করা তিনটি রিকভারি বেনিফিটের আওতায় এ পর্যন্ত ১১৬ কোটি ডলার আর্থিক সহায়তা দিয়েছে সরকার। নিয়মিত এমপ্লয়মেন্ট ইন্যুরেন্স বেনিফিটের আওতায় দেওয়া হয়েছে আরও ১৩৫ কোটি ডলার। বর্তমানে ২০ লাখ কানাডিয়ান সুবিধাটি পাচ্ছেন। এমপ্লয়মেন্ট ইস্যুরেন্স বেনিফিটের আওতায় আরও ৫৪০ কোটি ডলারসহ মোট সহায়তা ৬৭০ কোটি ডলার পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে সরকার।

 


Comments