রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ১:২৮ am

৭৫ শতাংশ টরন্টোবাসী ভ্যাকসিন নিতে ইচ্ছুক

৭৫ শতাংশ টরন্টোবাসী ভ্যাকসিন নিতে ইচ্ছুক

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা মহামারি থেকে সুরক্ষায় সমাজে যে ‘হার্ড ইম্যুউনিটি’ অর্থাৎ অধিকাংশ জনগোষ্ঠির অনাক্রম্যতার উপর গুরুত্বারোপ করেছে, তাতে এক জরিপে দেখা গেছে প্রায় ৭৫ শতাংশ টরন্টোবাসী ভ্যাকসিন প্রদান শুরু হলে, তা সানন্দে গ্রহণে ইচ্ছুক।

ওই জরিপটি টরন্টো পাবলিক হেলথের পক্ষে জরিপসংস্থা ‘ইপসোস-রিড’ মোট ১,২০১ জনের উপর পরিচালনা করলে, উত্তরদাতাদের ৭৩ শতাংশ অনুরূপ জবাব দিয়েছেন। অর্থাৎ এদের ৪০ শতাংশ বলেছেন তারা ‘অবশ্যই’ টিকা নেবেন এবং ৩৩ শতাংশ বলেছেন ‘সম্ভবত’ তারা তা নেবেন। আর ১৬ শতাংশ বলেছেন তারা অবশ্যই কিংবা সম্ভবত তা নেবেন না। এছাড়া ১১ শতাংশ এখনও জানেন না আদৌ তারা তা গ্রহণ করবেন কিনা।

এতে প্রতীয়মান যে, টরন্টো শহরের অধিকাংশ মানুষ অনাক্রম্যতা গড়ে তুলতে ইচ্ছুক। আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ জনগোষ্ঠি সে ধরণের ইম্যুউনিটি বা অনাক্রম্যতা গড়ে তুলতে পারলে পুরো জনগোষ্ঠি মহামারি থেকে সুরক্ষা পেতে পারেন।

অন্টারিও প্রদেশের তথ্যানুযায়ী ওষুধ কোম্পানি ফাইজার ও মর্ডানা থেকে এই প্রদেশটি ২০২১ সালের প্রথম তিন মাসে প্রায় ২৪ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন পেতে যাচ্ছে। তাতে শুধুমাত্র ১২ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দীর্ঘমেয়াদী সেবাশ্রম ও সেখানে কর্মরত সন্মুখসারির সেবাকর্মীদের জন্য হবে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত। অবশ্য আগামী সপ্তাহে এ নিয়ে সিটি বোর্ড প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আইলিন ডি ভিলার মতে, গত নভেম্বর মাস থেকেই ‘টরন্টো ভ্যাকসিন টাস্ক ফোর্স’ টিকাদানের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সে আয়োজনটি চূড়ান্তকরণের ক্ষেত্রে একাগ্রভাবে কাজ করে যাচ্ছে।তদুপরি টরন্টো হেলথ কর্মকর্তারা প্রাদেশিক সহযোগিতায় একটি কার্যকর ‘ভ্যাকসিন ইনফরমেশন সিস্টেম’ গড়ে তুলতে তৎপর। কেননা হার্ড ইম্যুউনিটি গড়ে তুলতে অত্যাবশ্যকীয় শারীরিক কসরত, নিদ্রা ও অ্যালকোহল সেবনমাত্রা বজায় রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক, যা ওই জরিপে আশাপ্রদ পর্যায়ে প্রতিফলিত হয়নি। সেক্ষেত্রে ভগ্নস্বাস্থ্য অনেকটাই দায়ী এবং সামগ্রিক জরিপ ফলাফলটি ৩ দশমিক ২ শতাংশ ত্রুটিপূর্ণ স্বেচ্ছাপ্রণোদিত অবস্থানেরই প্রতিফলন।  

 

Comments